ফরিদপুরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন জ্বালানি তেলশূন্য হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার বিকেলের পর থেকে তেল না থাকায় এসব পাম্প থেকে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। শহরের বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র দেখা গেছে।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, ডিপো থেকে চাহিদার তুলনায় কম জ্বালানি সরবরাহ করায় তা দ্রুতই শেষ হয়ে যাচ্ছে। সোমবার রাতে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হয়েছিল, তা মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যেই ফুরিয়ে যায়। ফলে বর্তমানে সাধারণ ভোক্তা ও পরিবহন পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস অ্যান্ড পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পরিবেশক সমিতি) স্থানীয় নেতারা জানান, শহরের বড় পাম্পগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশই এখন তেলশূন্য। নতুন বরাদ্দ না পাওয়া পর্যন্ত এসব পাম্প থেকে জ্বালানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। তবে নতুন বরাদ্দ পেতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত কিছু বলতে পারছেন না।
এদিকে তেল না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন যানবাহন চালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। পাম্পে এসে জ্বালানি না পেয়ে অনেক গাড়ি সেখানেই অবস্থান করছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন পরিবহন মালিকেরা। ফরিদপুরে এই অচলাবস্থা নিরসনে দ্রুত তেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
ফরিদপুর জেলায় মোট ৪১টি তালিকাভুক্ত পাম্প রয়েছে, যার মধ্যে ২১টি জেলা সদরে অবস্থিত।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশন জ্বালানি তেলশূন্য হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার বিকেলের পর থেকে তেল না থাকায় এসব পাম্প থেকে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। শহরের বিভিন্ন পাম্প ঘুরে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র দেখা গেছে।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানায়, ডিপো থেকে চাহিদার তুলনায় কম জ্বালানি সরবরাহ করায় তা দ্রুতই শেষ হয়ে যাচ্ছে। সোমবার রাতে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হয়েছিল, তা মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যেই ফুরিয়ে যায়। ফলে বর্তমানে সাধারণ ভোক্তা ও পরিবহন পর্যায়ে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস এজেন্টস অ্যান্ড পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পরিবেশক সমিতি) স্থানীয় নেতারা জানান, শহরের বড় পাম্পগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশই এখন তেলশূন্য। নতুন বরাদ্দ না পাওয়া পর্যন্ত এসব পাম্প থেকে জ্বালানি সরবরাহ করা সম্ভব হবে না। তবে নতুন বরাদ্দ পেতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত কিছু বলতে পারছেন না।
এদিকে তেল না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন যানবাহন চালক ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা। পাম্পে এসে জ্বালানি না পেয়ে অনেক গাড়ি সেখানেই অবস্থান করছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন পরিবহন মালিকেরা। ফরিদপুরে এই অচলাবস্থা নিরসনে দ্রুত তেল সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
ফরিদপুর জেলায় মোট ৪১টি তালিকাভুক্ত পাম্প রয়েছে, যার মধ্যে ২১টি জেলা সদরে অবস্থিত।

আপনার মতামত লিখুন