হরমুজ প্রণালি দিয়ে আগের চেয়ে বেশি জাহাজ চলাচল করছে বলে জানিয়েছে সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা।
স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সংস্থাটি বলেছে, গত বুধবার হরমুজ দিয়ে ১৬টি জাহাজ যায়। এরমাধ্যমে টানা তিনদিন সেখানে জাহাজ চলাচলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। আর সবগুলো জাহাজই ইরানের সঙ্গে সমঝোতা করে চলেছে বলে উল্লেখ করেছে উইন্ডওয়ার্ড।
তবে জাহাজের পরিমাণ বাড়লেও; সাধারণ সময়ে এটি যা থাকে সেটির তুলনায় অনেক কম।
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ দিয়ে প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলত।
এদিকে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বলে আসছে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ও টোল দিয়ে ‘ইরানের শত্রু ও তাদের মিত্রদের’ জাহাজ বাদে বিশ্বের সব দেশ জাহাজ চালাতে পারবে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। এখান দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর উৎপাদিত তেল ও গ্যাস এশিয়াসহ অন্যান্য স্থানে যায়।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালি দিয়ে আগের চেয়ে বেশি জাহাজ চলাচল করছে বলে জানিয়েছে সামুদ্রিক গোয়েন্দা সংস্থা উইন্ডওয়ার্ড। এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা।
স্থানীয় সময় আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সংস্থাটি বলেছে, গত বুধবার হরমুজ দিয়ে ১৬টি জাহাজ যায়। এরমাধ্যমে টানা তিনদিন সেখানে জাহাজ চলাচলের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিল। আর সবগুলো জাহাজই ইরানের সঙ্গে সমঝোতা করে চলেছে বলে উল্লেখ করেছে উইন্ডওয়ার্ড।
তবে জাহাজের পরিমাণ বাড়লেও; সাধারণ সময়ে এটি যা থাকে সেটির তুলনায় অনেক কম।
জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ দিয়ে প্রায় ১৩০টি জাহাজ চলত।
এদিকে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই বলে আসছে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে ও টোল দিয়ে ‘ইরানের শত্রু ও তাদের মিত্রদের’ জাহাজ বাদে বিশ্বের সব দেশ জাহাজ চালাতে পারবে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের জ্বালানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট। এখান দিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর উৎপাদিত তেল ও গ্যাস এশিয়াসহ অন্যান্য স্থানে যায়।

আপনার মতামত লিখুন