নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় আত্রাই নদের ওপর নির্মিত সেতুটি এখনও জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হয়নি। ৩০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৫৯ মিটার দৈর্ঘ্যরে এই সেতুর নির্মাণকাজ ২০২১ সালে শুরু হয়। সেতুর মূল কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু সংযোগ সড়ক নেই। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের এখনও বাঁশের সাঁকো ও নৌকার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
চান্দাশ ও উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য সেতুটি তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু সংযোগ সড়কের অভাবে সেই উদ্দেশ্য এখনও পূরণ হয়নি। সেতুর পূর্ব পাশে ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতার কারণে সংযোগ সড়কের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।
প্রায়ই দেখা যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে সেতু নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সংযোগ সড়কের কাজ না হওয়ায় জনগণের যাতায়াতের ভোগান্তি কমে না। মহাদেবপুরেও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছৈ। তাই সেতুটি যত দ্রুত সম্ভব চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা দ্রুত নিরসন করতে হবে। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসন ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাজ এগিয়ে নিতে হবে। সেতু চালু হলে উল্লিখিত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে, সেখানকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও গতি আসবে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় আত্রাই নদের ওপর নির্মিত সেতুটি এখনও জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হয়নি। ৩০ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৫৯ মিটার দৈর্ঘ্যরে এই সেতুর নির্মাণকাজ ২০২১ সালে শুরু হয়। সেতুর মূল কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু সংযোগ সড়ক নেই। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের এখনও বাঁশের সাঁকো ও নৌকার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
চান্দাশ ও উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য সেতুটি তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু সংযোগ সড়কের অভাবে সেই উদ্দেশ্য এখনও পূরণ হয়নি। সেতুর পূর্ব পাশে ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতার কারণে সংযোগ সড়কের কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানিয়েছে, জমি অধিগ্রহণের বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।
প্রায়ই দেখা যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে সেতু নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সংযোগ সড়কের কাজ না হওয়ায় জনগণের যাতায়াতের ভোগান্তি কমে না। মহাদেবপুরেও একই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছৈ। তাই সেতুটি যত দ্রুত সম্ভব চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ভূমি অধিগ্রহণের জটিলতা দ্রুত নিরসন করতে হবে। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসন ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাজ এগিয়ে নিতে হবে। সেতু চালু হলে উল্লিখিত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে, সেখানকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও গতি আসবে।

আপনার মতামত লিখুন