রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার
বিকেলে শুরু হওয়া এই
উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে হাসপাতালের জরুরি
বিভাগের চিকিৎসা সেবা পুরোপুরি বন্ধ
হয়ে পড়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন
প্রান্ত থেকে আসা মুমূর্ষু
রোগীরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ
মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার
সূত্রপাত বিকেলে অমর একুশে হলের
আবাসিক ছাত্র সানিম জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে এলে। সানিমের
সহপাঠীদের অভিযোগ, দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে যে ওষুধ
লিখে দেন, তা হাসপাতালে
না থাকায় বাইরে থেকে আনতে বলা
হয়।
কিন্তু
বাইরে ওই ওষুধ খুঁজে
না পেয়ে পুনরায় হাসপাতালে
ফিরে এসে কথা বলতে
গেলে চিকিৎসকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে
উভয় পক্ষ উত্তেজিত হয়ে
হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। সানিমকে মারধর
করার খবর হলের শিক্ষার্থীদের
মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে একদল শিক্ষার্থী
হাসপাতালে উপস্থিত হন, যার ফলে
উত্তেজনা কয়েক গুণ বেড়ে
যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, দুই পক্ষের মধ্যে
দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা
ধাওয়া ও হাতাহাতিতে বেশ
কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে নিরাপত্তার অভাব দাবি করে
ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে কর্মবিরতির ডাক দেন।
চিকিৎসক
নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন,
“দায়িত্বরত অবস্থায় চিকিৎসকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু
বিচার ও কর্মস্থলের পূর্ণ
নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত
তারা জরুরি সেবা চালু করবেন
না।” এর ফলে অ্যাম্বুলেন্সে
আসা শত শত রোগী
জরুরি বিভাগের সামনেই আটকে আছেন।
ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ
ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ওষুধ
কেনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও
শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর
পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
আনে। সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।”
পরিস্থিতি
স্বাভাবিক করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও
হাসপাতাল প্রশাসনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে বলে জানা
গেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে চিকিৎসক ও মেডিকেল শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বুধবার
বিকেলে শুরু হওয়া এই
উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে হাসপাতালের জরুরি
বিভাগের চিকিৎসা সেবা পুরোপুরি বন্ধ
হয়ে পড়েছে। এতে দেশের বিভিন্ন
প্রান্ত থেকে আসা মুমূর্ষু
রোগীরা চরম বিপাকে পড়েছেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ
মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার
সূত্রপাত বিকেলে অমর একুশে হলের
আবাসিক ছাত্র সানিম জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে এলে। সানিমের
সহপাঠীদের অভিযোগ, দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে যে ওষুধ
লিখে দেন, তা হাসপাতালে
না থাকায় বাইরে থেকে আনতে বলা
হয়।
কিন্তু
বাইরে ওই ওষুধ খুঁজে
না পেয়ে পুনরায় হাসপাতালে
ফিরে এসে কথা বলতে
গেলে চিকিৎসকদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে
উভয় পক্ষ উত্তেজিত হয়ে
হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। সানিমকে মারধর
করার খবর হলের শিক্ষার্থীদের
মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে একদল শিক্ষার্থী
হাসপাতালে উপস্থিত হন, যার ফলে
উত্তেজনা কয়েক গুণ বেড়ে
যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা
জানান, দুই পক্ষের মধ্যে
দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা
ধাওয়া ও হাতাহাতিতে বেশ
কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে নিরাপত্তার অভাব দাবি করে
ইন্টার্ন চিকিৎসকরা তাৎক্ষণিকভাবে কর্মবিরতির ডাক দেন।
চিকিৎসক
নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন,
“দায়িত্বরত অবস্থায় চিকিৎসকদের ওপর হামলার সুষ্ঠু
বিচার ও কর্মস্থলের পূর্ণ
নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত
তারা জরুরি সেবা চালু করবেন
না।” এর ফলে অ্যাম্বুলেন্সে
আসা শত শত রোগী
জরুরি বিভাগের সামনেই আটকে আছেন।
ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ
ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক ঘটনার
সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “ওষুধ
কেনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও
শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর
পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
আনে। সন্ধ্যা পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।”
পরিস্থিতি
স্বাভাবিক করতে বিশ্ববিদ্যালয় ও
হাসপাতাল প্রশাসনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে বলে জানা
গেছে।

আপনার মতামত লিখুন