রাজধানীর শ্যামলীতে কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল কর্মী মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মঈনের চার সহযোগীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার
ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
গ্রেপ্তার অপর তিন আসামিকে
মঙ্গলবার আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
আদালত
সূত্রে জানা গেছে, রিমান্ডে
নেওয়া আসামিরা হলেন: ফারুক হোসেন সুমন, লিটন মিয়া, ফালান
মিয়া ও মো. রুবেল।
শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা
মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী
রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
অন্যদিকে
আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে
দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই
ছাব্বির আহমেদ আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড
আবেদন করেছিলেন, যার প্রেক্ষিতে আদালত
চার দিন মঞ্জুর করেন।
ঘটনার
সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার,
যখন স্বল্প খরচে কিডনি প্রতিস্থাপনের
জন্য পরিচিত ডা. কামরুল ইসলামের
হাসপাতালে গিয়ে যুবদল পরিচয়ে
চাঁদা দাবি ও বিশৃঙ্খলা
সৃষ্টি করা হয়।
মামলার
এজাহার অনুযায়ী, মঈন উদ্দিন ৫
লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে
বাদী আবু হানিফকে দীর্ঘদিন
ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার সকালে মঈন ও তার
সহযোগীরা বাদীর বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীকে
হুমকি দিয়ে বলেন, "চাঁদার
৫ লাখ টাকা এখনই
দিতে হবে, নাহলে পরিবারের
ক্ষতি করা হবে।"
এরপর
তারা প্রায় ৫০-৬০ জন
লোক জড়ো করে হাসপাতালের
সামনে স্লোগান দেয় ও গালিগালাজ
করে পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করে।
বিষয়টি
গণমাধ্যমে আসার পর দ্রুত
পদক্ষেপ নেয় যুবদলের কেন্দ্রীয়
কমিটি। সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক
মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন রাতেই হাসপাতালে
গিয়ে ডা. কামরুল ইসলামের
সঙ্গে কথা বলেন এবং
জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এরপরই
র্যাব অভিযান চালিয়ে নড়াইল থেকে প্রধান অভিযুক্ত
মঈনকে গ্রেপ্তার করে। র্যাবের আইন
ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম
জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী
জানান, মঈনকে নড়াইলের কালিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা
হয়েছে।
পুলিশ
জানিয়েছে, জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে এমন হীন কর্মকাণ্ডে
জড়িত বাকিদের বিষয়েও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর শ্যামলীতে কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের সিকেডি অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতালে চাঁদাবাজির অভিযোগে যুবদল কর্মী মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মঈনের চার সহযোগীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
সোমবার
ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলাম এই আদেশ দেন।
গ্রেপ্তার অপর তিন আসামিকে
মঙ্গলবার আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে।
আদালত
সূত্রে জানা গেছে, রিমান্ডে
নেওয়া আসামিরা হলেন: ফারুক হোসেন সুমন, লিটন মিয়া, ফালান
মিয়া ও মো. রুবেল।
শুনানির সময় রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা
মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী
রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
অন্যদিকে
আসামিপক্ষের আইনজীবী জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে
দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই
ছাব্বির আহমেদ আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড
আবেদন করেছিলেন, যার প্রেক্ষিতে আদালত
চার দিন মঞ্জুর করেন।
ঘটনার
সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার,
যখন স্বল্প খরচে কিডনি প্রতিস্থাপনের
জন্য পরিচিত ডা. কামরুল ইসলামের
হাসপাতালে গিয়ে যুবদল পরিচয়ে
চাঁদা দাবি ও বিশৃঙ্খলা
সৃষ্টি করা হয়।
মামলার
এজাহার অনুযায়ী, মঈন উদ্দিন ৫
লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে
বাদী আবু হানিফকে দীর্ঘদিন
ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিলেন। শুক্রবার সকালে মঈন ও তার
সহযোগীরা বাদীর বাসায় গিয়ে তার স্ত্রীকে
হুমকি দিয়ে বলেন, "চাঁদার
৫ লাখ টাকা এখনই
দিতে হবে, নাহলে পরিবারের
ক্ষতি করা হবে।"
এরপর
তারা প্রায় ৫০-৬০ জন
লোক জড়ো করে হাসপাতালের
সামনে স্লোগান দেয় ও গালিগালাজ
করে পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা করে।
বিষয়টি
গণমাধ্যমে আসার পর দ্রুত
পদক্ষেপ নেয় যুবদলের কেন্দ্রীয়
কমিটি। সংগঠনের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক
মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন রাতেই হাসপাতালে
গিয়ে ডা. কামরুল ইসলামের
সঙ্গে কথা বলেন এবং
জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
এরপরই
র্যাব অভিযান চালিয়ে নড়াইল থেকে প্রধান অভিযুক্ত
মঈনকে গ্রেপ্তার করে। র্যাবের আইন
ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম
জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী
জানান, মঈনকে নড়াইলের কালিয়া থেকে গ্রেপ্তার করা
হয়েছে।
পুলিশ
জানিয়েছে, জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানে এমন হীন কর্মকাণ্ডে
জড়িত বাকিদের বিষয়েও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন