সৌদি আরবে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট প্রদানের বিষয়ে বড় তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, দেশটিতে অবস্থানরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সাপেক্ষে এ পর্যন্ত ২২ হাজার জনকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসকক্ষে
বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহর সঙ্গে
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
বৈঠকে সৌদি রাষ্ট্রদূত দেশটিতে থাকা মিয়ানমার নাগরিকদের
(রোহিঙ্গা) বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যুর বিষয়টি দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান:
মন্ত্রী সৌদি আরব থেকে পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিয়ে তা পুনরায় যাচাই-বাছাই
করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
পাসপোর্ট ইস্যু ছাড়াও বৈঠকে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,
নিরাপত্তা, পর্যটন ও জ্বালানি খাতে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, “সৌদি আরব বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। জনশক্তি রপ্তানি ছাড়াও
দেশের জ্বালানি ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগের বড় সুযোগ রয়েছে।”
নতুন পোর্টফোলিওতে দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে
অভিনন্দন জানান সৌদি রাষ্ট্রদূত এবং তাকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে জানানো
হয়, আগামী জুলাই মাসের প্রথমার্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরব সফর করতে পারেন।
সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ
চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
সৌদি আরবে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট প্রদানের বিষয়ে বড় তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, দেশটিতে অবস্থানরত ৬৯ হাজার রোহিঙ্গার মধ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ সাপেক্ষে এ পর্যন্ত ২২ হাজার জনকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অফিসকক্ষে
বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহর সঙ্গে
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
বৈঠকে সৌদি রাষ্ট্রদূত দেশটিতে থাকা মিয়ানমার নাগরিকদের
(রোহিঙ্গা) বাংলাদেশি পাসপোর্ট ইস্যুর বিষয়টি দ্রুত শেষ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান:
মন্ত্রী সৌদি আরব থেকে পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিয়ে তা পুনরায় যাচাই-বাছাই
করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
পাসপোর্ট ইস্যু ছাড়াও বৈঠকে দুই দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,
নিরাপত্তা, পর্যটন ও জ্বালানি খাতে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বলেন, “সৌদি আরব বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ। জনশক্তি রপ্তানি ছাড়াও
দেশের জ্বালানি ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগের বড় সুযোগ রয়েছে।”
নতুন পোর্টফোলিওতে দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে
অভিনন্দন জানান সৌদি রাষ্ট্রদূত এবং তাকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে জানানো
হয়, আগামী জুলাই মাসের প্রথমার্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদি আরব সফর করতে পারেন।
সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ
চৌধুরীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন