ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে আরও ৭ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলায় মোট ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হলো।
মঙ্গলবার (৫ মে) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের
আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা অনুষ্ঠিত হয়।
দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ
তাঁর পারিবারিক প্রতিষ্ঠান ‘আরামিট গ্রুপ’-এর প্রটোকল অফিসার ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে
‘ভিশন ট্রেডিং’ নামক একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মালিক সাজিয়ে ইউসিবিএল থেকে ২৫
কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করান। পরবর্তীতে এই টাকা তুলে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করে
সম্পত্তি কেনা হয়।
মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে রয়েছেন:
তদন্তকারী কর্মকর্তা মশিউর রহমান গত ৫ জানুয়ারি আদালতে এই
৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। উল্লেখ্য, শুরুতে ৩১ জনকে আসামি করা হলেও
তদন্তে আরও ৭ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় এবং আগের ২ জন মারা যাওয়ায় তাদের বাদ দেওয়া
হয়।
দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি,
দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা
হয়েছে। আজ ৭ জন সাক্ষীর জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আগামী ২০ মে পরবর্তী
সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।
এই মামলায় মোট ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের
২৪ জুলাই দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পলাতক
ও প্রভাবশালী আসামিদের বিচারিক প্রক্রিয়ায় এই সাক্ষ্যগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগে করা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে আরও ৭ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই মামলায় মোট ১৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হলো।
মঙ্গলবার (৫ মে) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের
আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা অনুষ্ঠিত হয়।
দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে। সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ
তাঁর পারিবারিক প্রতিষ্ঠান ‘আরামিট গ্রুপ’-এর প্রটোকল অফিসার ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে
‘ভিশন ট্রেডিং’ নামক একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের মালিক সাজিয়ে ইউসিবিএল থেকে ২৫
কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করান। পরবর্তীতে এই টাকা তুলে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করে
সম্পত্তি কেনা হয়।
মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে রয়েছেন:
তদন্তকারী কর্মকর্তা মশিউর রহমান গত ৫ জানুয়ারি আদালতে এই
৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। উল্লেখ্য, শুরুতে ৩১ জনকে আসামি করা হলেও
তদন্তে আরও ৭ জনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় এবং আগের ২ জন মারা যাওয়ায় তাদের বাদ দেওয়া
হয়।
দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন জানান, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি,
দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা
হয়েছে। আজ ৭ জন সাক্ষীর জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আগামী ২০ মে পরবর্তী
সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।
এই মামলায় মোট ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের
২৪ জুলাই দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন পলাতক
ও প্রভাবশালী আসামিদের বিচারিক প্রক্রিয়ায় এই সাক্ষ্যগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
বলে মনে করছেন আইনজীবীরা।

আপনার মতামত লিখুন