সংবাদ

‘পরকীয়া বিরোধে’ যুবককে খুনের পর লাশ গুম


?????????, ???????
?????????, ???????
প্রকাশ: ৫ মে ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

‘পরকীয়া বিরোধে’ যুবককে খুনের পর লাশ গুম
????? ? ?????????? ??????? ????? ??????? ??? : ?????

রাজধানীর আফতাবনগর থেকে অপহৃত এক যুবককে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ফেলে যাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশ থেকে ফরহাদ হোসেন মাহি (২৩) নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত ফরহাদ ঢাকার উত্তরখান থানার চানপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে। বাড্ডা থানায় আটক এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা ও হবিগঞ্জ পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে এই মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে আন্দিউড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে মহাসড়কের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মাধবপুর থানা-পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বাড্ডা থানার একটি দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার আফতাবনগর এলাকা থেকে ফরহাদকে অপহরণ করে একটি গোপন বাসায় আটকে রাখা হয়। সেখানে শারীরিক নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করা হয়। পরে ১ মে একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে (প্রাইভেট কার) করে মরদেহটি নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে মাধবপুরের আন্দিউড়া এলাকায় মহাসড়কের পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যায়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পরকীয়া সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। খুনের পর ঘটনা ধামাচাপা দিতেই মরদেহটি ঢাকা থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে হবিগঞ্জে নিয়ে আসা হয়েছিল।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা সংবাদকে বলেন, বাড্ডা থানার পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মূল মামলাটি ঢাকায় প্রক্রিয়াধীন থাকলেও স্থানীয় পুলিশ তদন্তে সব ধরনের সহায়তা করছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬


‘পরকীয়া বিরোধে’ যুবককে খুনের পর লাশ গুম

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর আফতাবনগর থেকে অপহৃত এক যুবককে পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে হবিগঞ্জের মাধবপুরে ফেলে যাওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশ থেকে ফরহাদ হোসেন মাহি (২৩) নামের ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত ফরহাদ ঢাকার উত্তরখান থানার চানপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে। বাড্ডা থানায় আটক এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকা ও হবিগঞ্জ পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে এই মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে আন্দিউড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে মহাসড়কের পাশে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে মাধবপুর থানা-পুলিশের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বাড্ডা থানার একটি দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ৩০ এপ্রিল ঢাকার আফতাবনগর এলাকা থেকে ফরহাদকে অপহরণ করে একটি গোপন বাসায় আটকে রাখা হয়। সেখানে শারীরিক নির্যাতনের পর তাকে হত্যা করা হয়। পরে ১ মে একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে (প্রাইভেট কার) করে মরদেহটি নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে মাধবপুরের আন্দিউড়া এলাকায় মহাসড়কের পাশে ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যায়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পরকীয়া সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। খুনের পর ঘটনা ধামাচাপা দিতেই মরদেহটি ঢাকা থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে হবিগঞ্জে নিয়ে আসা হয়েছিল।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা সংবাদকে বলেন, বাড্ডা থানার পুলিশের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মূল মামলাটি ঢাকায় প্রক্রিয়াধীন থাকলেও স্থানীয় পুলিশ তদন্তে সব ধরনের সহায়তা করছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত