রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে দিন দিন বেড়েই চলেছে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীর চাপ। জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ নানা উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
অসুস্থ শিশুদের কান্নায় এবং উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের উৎকণ্ঠায় হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে হামের প্রকোপ। অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই রোগে অনেক শিশু অন্য সমস্যার চিকিৎসা নিতে এসেও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে, যা চিকিৎসা প্রক্রিয়াকে দীর্ঘস্থায়ী ও ভোগান্তিপূর্ণ করে তুলছে।
এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে শিশুদের জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। হাসপাতালে হামের জন্য আলাদা কোনো স্থায়ী বিভাগ না থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিশু বিভাগের তিনটি ভিআইপি কক্ষকে অস্থায়ী আইসোলেশন কর্নারে রূপান্তর করা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুরুতর রোগীদের দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতেই এই আইসোলেশন কর্নার চালু করা হয়েছে। তারা আরও জানান, যদি রোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত কক্ষ প্রস্তুত করে আইসোলেশন ইউনিটের পরিধি বাড়ানো হবে।
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে অবস্থানরত অভিভাবকদের চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। অসুস্থ শিশুকে কোলে নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন অনেকে।
সেখানে উপস্থিত অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা চিকিৎসক ও নার্সদের সেবায় সন্তুষ্ট। তবে নতুন করে হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সংবাদ তাদের মনে বাড়তি ভীতির সৃষ্টি করেছে।
অভিভাবকরা জানান, চিকিৎসক ও নার্সরা যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা প্রদান করছেন, কিন্তু সংক্রামক রোগের বিস্তার নিয়ে তারা শঙ্কিত।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামের বিস্তার রোধ করতে হলে এই মুহূর্তে বাড়তি সতর্কতার কোনো বিকল্প নেই। তাদের মতে, আক্রান্ত শিশুদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ করলেই এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিশুদের নিরাপত্তা ও দ্রুত সুস্থতা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। অন্যথায় এই সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ে পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে দিন দিন বেড়েই চলেছে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত শিশু রোগীর চাপ। জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ নানা উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
অসুস্থ শিশুদের কান্নায় এবং উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের উৎকণ্ঠায় হাসপাতালের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে হামের প্রকোপ। অত্যন্ত ছোঁয়াচে এই রোগে অনেক শিশু অন্য সমস্যার চিকিৎসা নিতে এসেও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে, যা চিকিৎসা প্রক্রিয়াকে দীর্ঘস্থায়ী ও ভোগান্তিপূর্ণ করে তুলছে।
এমন পরিস্থিতিতে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে শিশুদের জন্য নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। হাসপাতালে হামের জন্য আলাদা কোনো স্থায়ী বিভাগ না থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিশু বিভাগের তিনটি ভিআইপি কক্ষকে অস্থায়ী আইসোলেশন কর্নারে রূপান্তর করা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুরুতর রোগীদের দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতেই এই আইসোলেশন কর্নার চালু করা হয়েছে। তারা আরও জানান, যদি রোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত কক্ষ প্রস্তুত করে আইসোলেশন ইউনিটের পরিধি বাড়ানো হবে।
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে অবস্থানরত অভিভাবকদের চোখেমুখে দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট। অসুস্থ শিশুকে কোলে নিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন অনেকে।
সেখানে উপস্থিত অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা চিকিৎসক ও নার্সদের সেবায় সন্তুষ্ট। তবে নতুন করে হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার সংবাদ তাদের মনে বাড়তি ভীতির সৃষ্টি করেছে।
অভিভাবকরা জানান, চিকিৎসক ও নার্সরা যথেষ্ট আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা প্রদান করছেন, কিন্তু সংক্রামক রোগের বিস্তার নিয়ে তারা শঙ্কিত।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হামের বিস্তার রোধ করতে হলে এই মুহূর্তে বাড়তি সতর্কতার কোনো বিকল্প নেই। তাদের মতে, আক্রান্ত শিশুদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা গ্রহণ করলেই এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিশুদের নিরাপত্তা ও দ্রুত সুস্থতা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত সচেতনতা প্রয়োজন। অন্যথায় এই সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়ে পরিস্থিতি জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন